রিভার্স নিউজ ডেস্ক | ৭ অক্টোবর ২০২৬

বাংলাদেশের প্রায় ৬ কোটি ২০ লাখ মানুষ অর্থনৈতিক ধাক্কার মুখে দারিদ্র্যসীমার নিচে চলে যাওয়ার ঝুঁকিতে রয়েছেন। বিশ্বব্যাংকের সর্বশেষ ‘Bangladesh Development Update’ প্রতিবেদনে দেশের দারিদ্র্য, কর্মসংস্থান ও অর্থনৈতিক পরিস্থিতি বিশ্লেষণ করে এ তথ্য তুলে ধরা হয়েছে।

বিশ্বব্যাংকের হিসাবে, সাম্প্রতিক সময়ে বাংলাদেশে দারিদ্র্যের হার বেড়েছে। সংস্থাটি মূল্যস্ফীতি, অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির ধীরগতি এবং কর্মসংস্থানের পরিস্থিতিকে মানুষের আয় ও ক্রয়ক্ষমতার সঙ্গে সম্পর্কিত কয়েকটি বিষয় হিসেবে উল্লেখ করেছে।

নতুন করে দারিদ্র্যে প্রায় ২১ লাখ মানুষ

বিশ্বব্যাংকের হিসাব অনুযায়ী, ২০২৫–২৬ অর্থবছরে দারিদ্র্যের হার প্রায় ১.১ শতাংশ পয়েন্ট বেড়েছে। এর ফলে আগের অর্থবছরের তুলনায় আনুমানিক ২১ লাখ মানুষ নতুন করে দারিদ্র্যসীমার নিচে নেমেছেন।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মূল্যস্ফীতির কারণে মানুষের প্রকৃত ক্রয়ক্ষমতার ওপর চাপ রয়েছে। কর্মসংস্থান ও আয়ের পরিস্থিতিও বিভিন্ন শ্রেণির পরিবারের আর্থিক অবস্থাকে প্রভাবিত করছে।

বিশ্বব্যাংক ২০২৬–২৭ অর্থবছরে বাংলাদেশের মোট দেশজ উৎপাদন বা জিডিপির প্রবৃদ্ধি ৩.৪ শতাংশ হতে পারে বলে পূর্বাভাস দিয়েছে।

প্রতিবেদনে ব্যাংকিং খাত, জ্বালানি সরবরাহ, রাজস্ব আদায় ও বিনিয়োগ পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে। এসব খাতে সংস্কারের প্রয়োজনীয়তার কথাও জানিয়েছে সংস্থাটি।

সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচি

বিশ্বব্যাংকের প্রতিবেদনে বাংলাদেশের সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচির আওতা ও উপকারভোগী নির্বাচনের বিষয়টিও উঠে এসেছে।

সংস্থাটি বলছে, দরিদ্র ও অর্থনৈতিকভাবে ঝুঁকিতে থাকা জনগোষ্ঠীর একটি অংশ বিদ্যমান সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচির বাইরে রয়েছে। সরকারি সহায়তা নির্ধারিত জনগোষ্ঠীর কাছে পৌঁছাতে উপকারভোগী নির্বাচন আরও কার্যকর করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

তিতাসের ২৮ নম্বর কূপ চালু, গ্রিডে প্রতিদিন সাড়ে ১২ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস

বিশ্বব্যাংক বাংলাদেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি বাড়াতে আর্থিক খাত, জ্বালানি ব্যবস্থা ও রাজস্ব ব্যবস্থাপনায় সংস্কারের ওপর গুরুত্ব দিয়েছে। একই সঙ্গে কর্মসংস্থান এবং সামাজিক সুরক্ষার বিষয়গুলোও প্রতিবেদনে স্থান পেয়েছে।

সূত্র: বিশ্বব্যাংক — Bangladesh Development Update, October 2026।

রিভার্স নিউজ ডেস্ক · ঢাকা · ৭ অক্টোবর ২০২৬, রাত ৯টা ৫২ মিনিট।