রিভার্স নিউজ ডেস্ক, ঢাকা: পুলিশি হেফাজত থেকে আসামি সুলতান পালিয়ে গেছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। বলা হচ্ছে, প্রস্রাবের কথা বলে তাঁকে শৌচাগারে নেওয়ার সময় তিনি পালিয়ে যান। ঘটনার স্থান, থানা, মামলার নম্বর ও সুলতানের বিরুদ্ধে প্রকৃত অভিযোগ এ প্রতিবেদনে নিশ্চিত করা যায়নি।
প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয় সূত্রের দাবি, ওই সময় সুলতানের হাতে হাতকড়া ছিল না এবং কাছে সশস্ত্র প্রহরীও ছিলেন না। পুলিশ বিভাগের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে তাৎক্ষণিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
পুলিশ প্রবিধান অনুযায়ী হেফাজতে থাকা আসামিকে পাহারায় রাখা দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তার কর্তব্য। হাতকড়া পরানোর নিয়ম পরিস্থিতি ও নির্দেশনার ওপর নির্ভর করে। শুধু হাতকড়া না থাকাকে যোগসাজশ বলা যায় না। তা তদন্তের বিষয়।
দুর্গাপুরে রাতারাতি লাখপতি ৫ জন, নেপথ্যে কে এই সাত্তার মাস্টারআইনজীবীরা বলছেন, জনসেবক ইচ্ছাকৃতভাবে আসামিকে পালাতে দিলে বা সহায়তা করলে দণ্ডবিধির ২২১, ২২২ বা ২২৫ক ধারায় ব্যবস্থা হতে পারে। শাস্তি অভিযোগের প্রকৃতি ও আসামির অবস্থার ওপর নির্ভর করে। মৃত্যুদণ্ডাদেশপ্রাপ্ত ব্যক্তিকে ইচ্ছাকৃতভাবে পালাতে দেওয়ার ক্ষেত্রে ২২২ ধারায় যাবজ্জীবন পর্যন্ত শাস্তির বিধান আছে। সাধারণ হেফাজতে থাকা আসামির ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ শাস্তি সাধারণত কয়েক বছরের কারাদণ্ড। অবহেলা প্রমাণিত হলে ২২৫ক ধারায় সর্বোচ্চ দুই বছরের কারাদণ্ড, বা অর্থদণ্ড, বা উভয় দণ্ড হতে পারে। কোনো ধারা প্রযোজ্য কি না, তা তদন্ত ও আদালত নির্ধারণ করবেন।
সুলতান বিচারধীন আসামি। আদালতে দোষ প্রমাণিত না হওয়া পর্যন্ত তাঁকে দণ্ডপ্রাপ্ত অপরাধী বলা যাবে না। পুলিশ কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে ফৌজদারি মামলা হবে কি না, সে সিদ্ধান্ত তদন্ত ও প্রসিকিউশনের।
পলাতক আসামিকে গ্রেপ্তার ও ঘটনার তদন্ত চেয়ে স্থানীয়ভাবে দাবি উঠেছে। কর্তৃপক্ষের বক্তব্য ও মামলার কাগজ পাওয়া গেলে প্রতিবেদন হালনাগাদ করা হবে।
দুর্গাপুরের প্রবেশদ্বারে ময়লা অপসারণ করে বৃক্ষরোপণরিভার্স নিউজ ডেস্ক, ঢাকা। ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, সন্ধ্যা ৭টা ৩৫ মিনিট।



